1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. info@barisalerkhobor.com : editor :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ইংল্যান্ড নাকি নরওয়ে সেমিফাইনাল খেলবে কে, সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গাজীপুরে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই: নাহিদ ইসলাম রাজনীতি কেবল ক্ষমতা ভোগের প্রক্রিয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকিতে আরও ৫ জেলা ইরানকে জানিয়ে দিয়েছি যুদ্ধবিরতি শেষ, তবে আলোচনা চলবে: ট্রাম্প বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন বাকেরগঞ্জে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশে আসছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী রাজাপুরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দখলবাজির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন-ঝাড়ু মিছিল

মেধা যাচাইয়ের আড়ালে ভর্তি বাণিজ্যের শঙ্কা

  • Update Time : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫ Time View

দেশের বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘ এক দশক পর ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি। দিন কয়েক আগে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন লটারি পদ্ধতি বাতিল করে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা পদ্ধতি ফের চালুর সিদ্ধান্তের কথা জানান। সরকারের এই ঘোষণার পর অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে দানা বাঁধছে কোচিং বাণিজ্য ও দুর্নীতির পুরোনো শঙ্কা। শিক্ষা খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, নামকরা স্কুলগুলোর ভর্তিতে বাণিজ্য ও প্রভাবশালীদের তদবির বন্ধ করতে ভর্তি পরীক্ষার বদলে লটারিতে শিক্ষার্থী বাছাই শুরু হয় ২০২১ সালে। শুরুতে সরকারি স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে এই পদ্ধতি শুরু হলেও ধীরে ধীরে বেসরকারি স্কুলেও তা চালু হয়। কিন্তু বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার প্রকৃত মেধা যাচাই করতে সেই পদ্ধতি বাতিল করেছে। তবে ভর্তি পরীক্ষার মোড়কে নতুন করে ভর্তি বাণিজ্য ফিরে আসার শঙ্কা দেখছেন শিক্ষাবিদদের অনেকেই।

গত বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গোপনীয় একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর। সেখানে রাজধানীর সুপরিচিত মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তিযুদ্ধের আড়ালে দুই যুগ ধরে শতকোটি টাকার ভর্তি বাণিজ্যের চিত্র উঠে আসে। ওই প্রতিবেদনে শুধু ২০১৬ সালেই অবৈধভাবে ২ হাজার ২৩৫ শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর তথ্য তুলে ধরা হয়। বলা হয়, ২০০৯-২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরে সেই অবৈধ ভর্তির সংখ্যা দাঁড়ায় ৯ হাজারের বেশি। প্রতিটি ভর্তিতে ৩ থেকে ১০ লাখ টাকার লেনদেনে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩১৩ কোটি টাকা। এই বাণিজ্যে সরাসরি জড়িত ছিল ম্যানেজিং কমিটি থেকে অধ্যক্ষ পর্যন্ত প্রভাবশালীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট। শুধু আইডিয়াল নয়, রাজধানী থেকে জেলা পর্যন্ত বহু নামিদামি স্কুলে তদবিরে ভর্তি কিংবা টাকার বিনিময়ে ভর্তি করানো ছিল এক প্রকার ওপেন সিক্রেট। এমন খারাপ নজিরের মধ্যে ২০১১ সালে প্রথম সরকারি স্কুলে পর্যায়ক্রমে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারি পদ্ধতিতে ভর্তির পদ্ধতি চালু করে তৎকালীন সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গত শনিবার লটারি ব্যবস্থাকে যুক্তিসংগত মনে করেন না এবং অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ফের ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের কথা জানান। তার মতে, লটারিতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা যাচাই হচ্ছে না। তবে শিক্ষামন্ত্রীর এমন যুক্তির সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রধান ও শিক্ষাবিদ।

তারা বলছেন, মেধা যাচাইয়ের আড়ালে আবারও শত শত কোটি টাকার ভর্তি বাণিজ্য ও প্রভাবশালীদের তদবির শুরু হবে। এক দশক ধরে স্কুলে ভর্তির শৃঙ্খলা ফের নষ্ট হবে। শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিযোগিতার জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে ফিকে হয়ে যাবে শৈশব। অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার তালিকাও দীর্ঘ হবে। তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে অল্প বয়সী শিশুদের ওপর বিস্তর মানসিক চাপ তৈরি হয়। কাঙ্ক্ষিত স্কুলে জায়গা না পেলে শিশুদের মধ্যে হীনম্মন্যতা ও ব্যর্থতার বোধ থেকে দীর্ঘমেয়াদে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে, যা পরবর্তী জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪

Theme Customized By BreakingNews