1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. info@barisalerkhobor.com : editor :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ইংল্যান্ড নাকি নরওয়ে সেমিফাইনাল খেলবে কে, সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গাজীপুরে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই: নাহিদ ইসলাম রাজনীতি কেবল ক্ষমতা ভোগের প্রক্রিয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকিতে আরও ৫ জেলা ইরানকে জানিয়ে দিয়েছি যুদ্ধবিরতি শেষ, তবে আলোচনা চলবে: ট্রাম্প বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন বাকেরগঞ্জে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশে আসছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী রাজাপুরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দখলবাজির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন-ঝাড়ু মিছিল

নাব্য সংকটে পটুয়াখালী লঞ্চঘাট, ঈদের আগে ভোগান্তি বাড়ার শঙ্কা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ২৮ Time View

দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। লোহালিয়া নদীতে পলি জমে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ চলাচল।

ঘাটের সামনে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে বালুচর দেখা গেছে। ভাটার সময় লঞ্চ নোঙর করতে না পেরে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে যাত্রী, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট লঞ্চ ও ট্রলার চলাচলেও ধীরগতিতে সতর্ক হয়ে এগোতে হচ্ছে। অনেক সময় জোয়ারের পানির জন্য অপেক্ষা না করলে চলাচলই সম্ভব হচ্ছে না।

লঞ্চ টার্মিনালের সামনে মাসের পর মাস ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ চললেও এর কোনো দৃশ্যমান সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। লঞ্চ চলাচল কমে যাওয়ায় ঘাটে মালামাল আসাও কমেছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন শ্রমিকরা, লঞ্চঘাটে নেই আগের মতো কোলাহল।

ঘাট শ্রমিক মনির বলেন, অনেক বছর ধরে এই ঘাটে কাজ করছি। এমন খারাপ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। সামনে ঈদ আসছে, এখন যদি লঞ্চ চলাচলের জায়গা ঠিক না করা হয়- তাহলে লঞ্চই আসবে না। লঞ্চ না এলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা সেকান্দার মিয়া বলেন, প্রতিবছর নদী খনন করা হলেও এর স্থায়ী সুফল আমরা পাই না। টেকসই ও পরিকল্পিত ড্রেজিং ছাড়া কোনো উপায় নেই। সঠিক পরিকল্পনায় চ্যানেল রক্ষা করা গেলে পটুয়াখালী শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে।

পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, দ্রুত ও কার্যকর ড্রেজিং না হলে ঈদের মৌসুমে ভোগান্তি আরও তীব্র হবে। প্রতিবছর সরকার এখানে ড্রেজিংয়ে অর্থ ব্যয় করে, কিন্তু কার্যকারিতা আমরা দেখি না। সামনে ঈদে যাত্রীদের আসা-যাওয়া বাড়বে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় সংকট তৈরি হবে।

এমন পরিস্থিতিতে লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ঈদের আগেই ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

ঈদের আগে এই রুটে পাঁচ থেকে ছয়টি লঞ্চ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে ড্রেজিং কীভাবে হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে, এবার যেন সঠিকভাবে ড্রেজিং হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালী নদী বন্দর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির শাহরিয়া জানান, পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, লঞ্চঘাটের দুপাশে দুটি সেতু থাকায় দ্রুত পলি জমে চর পড়ে যায়। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন হয়। ঈদের আগেই নাব্য সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪

Theme Customized By BreakingNews