1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. info@barisalerkhobor.com : editor :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ইংল্যান্ড নাকি নরওয়ে সেমিফাইনাল খেলবে কে, সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গাজীপুরে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই: নাহিদ ইসলাম রাজনীতি কেবল ক্ষমতা ভোগের প্রক্রিয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকিতে আরও ৫ জেলা ইরানকে জানিয়ে দিয়েছি যুদ্ধবিরতি শেষ, তবে আলোচনা চলবে: ট্রাম্প বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন বাকেরগঞ্জে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশে আসছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী রাজাপুরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দখলবাজির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন-ঝাড়ু মিছিল

মসজিদে মশার কয়েল ব্যবহার করা কি জায়েজ?

  • Update Time : রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৬৭ Time View

আবুল বাশার মুহাম্মদ মুশাহিদ

জৈন্তাপুর, সিলেট

প্রশ্ন : কুরআন-হাদিসের আলোকে মসজিদে কয়েল ব্যবহারের বিধান কী? এতে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচা গেলেও কয়েলের দুর্গন্ধের কারণে অনেকের সমস্যা হয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর সমাধান কী?

উত্তর : ইসলামি শরিয়তে মসজিদে দুর্গন্ধযুক্ত যে কোনো কিছুই নিষিদ্ধ। দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ার কারণে পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি খেয়ে মসজিদে আসতে হাদিসে নিষেধ করা হয়েছে। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) পেঁয়াজ ও রসুন খেতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনের তাগিদে আমরা তা খেলে তিনি বলেন, ‘যে এসব দুর্গন্ধযুক্ত উদ্ভিদের অংশ খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছে না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিসে কষ্ট পায়, ফেরেশতারাও সেসব জিনিসে কষ্ট পান’। [সহিহ মুসলিম, ১১৩৪]।

এ হাদিসের ভিত্তিতে আলেমরা যে কোনো দুর্গন্ধযুক্ত জিনিস মসজিদে প্রবেশ করানোকে নাজায়েজ বলেছেন। কারণ, তা মসজিদে বিদ্যমান মানুষ ও ফেরেশতাদের কষ্টের কারণ হয়। অতএব, মসজিদে দুর্গন্ধযুক্ত কয়েল জ্বালানো জায়েজ হবে না। মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য দুর্গন্ধমুক্ত কয়েল বা স্প্রে-জাতীয় কোনো কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র : সহিহ বুখারি, ৮৫৩; সুনানু আবি দাউদ, ৩৮২৪

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪

Theme Customized By BreakingNews