1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. info@barisalerkhobor.com : editor :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ইংল্যান্ড নাকি নরওয়ে সেমিফাইনাল খেলবে কে, সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গাজীপুরে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই: নাহিদ ইসলাম রাজনীতি কেবল ক্ষমতা ভোগের প্রক্রিয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকিতে আরও ৫ জেলা ইরানকে জানিয়ে দিয়েছি যুদ্ধবিরতি শেষ, তবে আলোচনা চলবে: ট্রাম্প বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন বাকেরগঞ্জে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশে আসছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী রাজাপুরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দখলবাজির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন-ঝাড়ু মিছিল

এমডিকে মারধর করে জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর, ভিডিওতে লিটুর সহযোগী কে এই আমিনুল?

  • Update Time : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশালে অগ্রণী হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারকে মারধর করে স্পর্শকাতর স্থানে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে জোরপূর্বক ৭০ লাখ টাকার চেক ও একাধিক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার আলোচিত ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে আমিনুল ইসলাম মৃধার নাম। ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাস্থলে তার উপস্থিতি স্পষ্টভাবে দেখা গেলেও মামলার এজাহারে তার নাম নেই। এ নিয়ে স্থানীয় মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার নগরীর সদর রোডে অগ্রণী হাউজিংয়ের কার্যালয়ে সংঘটিত এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেখা যায়, প্রধান অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটুর সঙ্গে আরও কয়েকজন ব্যক্তি এমডির কক্ষে প্রবেশ করেন।

ভিডিওতে তাদের একজনকে ভুক্তভোগী পক্ষ আমিনুল ইসলাম মৃধা হিসেবে শনাক্ত করেছে।

ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অভিযোগ, লিটুসহ কয়েকজন তাকে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করে একটি ৭০ লাখ টাকার চেক ও ছয়টি ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিতে বাধ্য করে। পরে তিনি দ্রুত ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে চেকটি নগদায়ন সম্ভব হয়নি। আদালতের নির্দেশে কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের হওয়া মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হলেও আমিনুল ইসলাম মৃধার নাম এজাহারে নেই।

মামলার বাদী আব্দুল আজিজ বলেন, যাদের পরিচয় নিশ্চিতভাবে জানতাম, তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করেছি। তদন্তে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্য জড়িতদেরও শনাক্ত করবে বলে আশা করছি।

জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম মৃধা নগরীর বিমানবন্দর এলাকার ধর্মাদী গ্রামের সালাম মৃধার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়, তিনি বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ছবি ব্যবহার করে এলাকায় অনৈতিকভাবে নেতিবাচক কর্মকাণ্ড ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন।

স্থানীয়দের দাবি, ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ব্যানারে বিএনপির দু:সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে নিস্ক্রিয় থাকা মহানগর বিএনপির সদস্যসচিবের পদ থেকে অপসারিত মীর জাহিদুল কবির জাহিদের সঙ্গে তার ছবি সম্বলিত ব্যানার টানানো ও একাধিক ছবি রয়েছে।

এছাড়া বরিশাল জেলা যুবদলের এক শীর্ষ নেতার সঙ্গেও তার একাধিক ছবি রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব রাজনৈতিক পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন তিনি।

এদিকে ঘটনার পর বিএনপি ও যুবদলের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, প্রধান অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটুসহ সহযোগী কয়েকজন দলটির কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। তবে ভাইরাল ভিডিওতে বরিশাল দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আফাস উদ্দৌলা অলিদের উপস্থিতিও দেখা যায়। যদিও ভিডিওতে তাকে সরাসরি নির্যাতনে অংশ নিতে দেখা যায়নি। পরে যুবদল নেতারা জানান, অলিদ বর্তমানে দলের কোনো কার্যকর পদে নেই।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু ও আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ভিডিওতে দৃশ্যমান আরও কয়েকজনের পরিচয় ও ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অন্যদিকে, আমিনুল ইসলাম মৃধার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪

Theme Customized By BreakingNews