1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. info@barisalerkhobor.com : editor :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন

অর্থনৈতিক ও কৌশলগত আয়োজন

  • Update Time : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ০ Time View

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ভূরাজনৈতিক দিকের তুলনায় অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মনে করি এই সফরে অর্থনীতির নানা বিষয় আলোচনার টেবিলে সামনে থাকবে।’

সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম সম্প্রতি বেইজিং সফর করেছেন। সফরের কর্মসূচি, সম্ভাব্য চুক্তি ও সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় আলোচনার জন্য তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কূটনৈতিক নানা সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি।

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি জানান, মালয়েশিয়া সফরকালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সফরের মূল আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে সোমবার, এদিন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই নেতার বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ স্বাক্ষরিত হতে পারে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এসব চুক্তি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে এবং অর্থনৈতিক ও মানবসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

বৈঠকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হবে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করা। পাশাপাশি ভিসা জটিলতা, কনস্যুলার সেবার সীমাবদ্ধতা এবং অনথিভুক্ত কর্মীদের সমস্যা নিয়েও আলোচনা হবে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে শ্রমবাজারে নতুন অগ্রগতির ঘোষণা আসতে পারে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে একাধিক পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে।

শ্রমবাজারের পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি, হালাল খাদ্য, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, সুনীল অর্থনীতি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৪ দিনের সফরে চীন যাবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সফরকালে বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় ১৫টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা, যমুনা নদীতে নতুন সেতু নির্মাণ এবং বাংলাদেশে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মতো বৃহৎ প্রকল্পগুলো।

সম্প্রতি চীনের ঋণ সহায়তায় প্রায় চার হাজার কোটি টাকার একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ফলে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে নতুন অগ্রগতির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, কৃষি আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, শিল্পায়ন ও উৎপাদন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাবও আলোচনায় আসতে পারে। এর বাইরে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), মুদ্রা বিনিময় চুক্তি এবং বাংলাদেশে একটি চীনা ব্যাংক স্থাপনের প্রস্তাব আলোচনায় আসতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪

Theme Customized By BreakingNews