1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. info@barisalerkhobor.com : editor :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ইংল্যান্ড নাকি নরওয়ে সেমিফাইনাল খেলবে কে, সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গাজীপুরে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই: নাহিদ ইসলাম রাজনীতি কেবল ক্ষমতা ভোগের প্রক্রিয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকিতে আরও ৫ জেলা ইরানকে জানিয়ে দিয়েছি যুদ্ধবিরতি শেষ, তবে আলোচনা চলবে: ট্রাম্প বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন বাকেরগঞ্জে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশে আসছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী রাজাপুরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দখলবাজির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন-ঝাড়ু মিছিল

ন্যায্য দাম ও সংরক্ষণ সংকটে আলু চাষিরা বিপাকে

  • Update Time : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ১৭ Time View

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ন্যায্য দাম না পাওয়া এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে দিন দিন কমে যাচ্ছে আলু চাষের পরিমাণ। একসময়ের সম্ভাবনাময় এই ফসল এখন লোকসানের আশঙ্কায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন চাষিরা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে এই উপজেলায় প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হলেও ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৩৬০ হেক্টরে। আর চলতি ২০২৬ সালে মাত্র ২৬০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। যদিও এ বছর ৩৬৫ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, গলাচিপা উপজেলার মাটি ও ভৌগোলিক অবস্থান আলু চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

চাষিদের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে সার, বীজ ও শ্রমিক বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। অথচ বাজারদর অনুযায়ী প্রতি বিঘার আলু বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায়। এতে প্রতি বিঘায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের।

কৃষকদের অভিযোগ, উপজেলায় কোনো হিমাগার না থাকায় আলু সংরক্ষণে মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে কম দামে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে পাইকারি ক্রেতারাও এলাকায় তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

স্থানীয় কৃষক মো. মিলন হাওলাদার বলেন, এইভাবে লোকসান হলে ভবিষ্যতে আর আলু চাষ করা সম্ভব হবে না। আমরা ন্যায্য দাম চাই এবং আলু সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার চাই।

কৃষি অফিস জানায়, ১৯৮০ সালের শুরু থেকেই এ উপজেলায় আলুর আবাদ শুরু হয়। ভালো ফলন ও বাজারমূল্য পাওয়ায় তখন কৃষকদের মধ্যে আলু চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দেয়।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাদনগর, বোয়ালিয়া ও চরখালী গ্রামে সবচেয়ে বেশি আলুর আবাদ হয়ে থাকে। প্রতি হেক্টরে গড়ে প্রায় ২৫ টন আলু উৎপাদন হলেও সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় কৃষকরা উৎপাদিত আলু ধরে রাখতে পারছেন না।

উপজেলা কৃষি অফিসার আরজু আক্তার জানান, দ্রুত সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা না গেলে আলু চাষে আগ্রহ আরও কমে যেতে পারে, যা স্থানীয় অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪

Theme Customized By BreakingNews