জাহিদুল ইসলাম ///
বাকেরগঞ্জে বি এন পির ইমেজ নষ্ট করতে চরাদি ইউনিয়ন বি এন পির একটা চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠার অভিযোগ পাওয়া গেছে, এ চক্রের মুল হোতা চরাদি ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ফারুক হাওলাদারের ছেলে সোহাগ হাওলাদার, বিগত আওয়ামী লীগ সময়ে মাঠ দাবড়ে বেড়ানো এই নেতা বর্তমানে বি এনপির ইউনিয়ন কমিটির সদস্য হয়ে ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছেন এমনটাই দাবি স্থানীয় সচেতন মহলের। তারই ধারাবাহিকতায় একের পর এক বিতর্কি কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি হামলা মামলা করে মানুষকে জিন্মি করে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি গাড়ি না থাকা সত্বেও পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি পদ দাবি করে সৃষ্টি করছেন ত্রাসের রাজত্ব। শুধু তাই নয় তার সে অযুক্তিক দাবি মেনে না নেওয়ায় তিনি গায়ের জোরে বিগত ২৫ শে অক্টোবর জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের “মুজাহিদ পরিবহন” নামে একটা গাড়ি চরাদি নিজ এলাকায়৷ গাড়িতে অবস্থানরত ৩৮ জন যাত্রীদের বের করে দিয়ে গাড়িটি নিজ জিন্মায় আটকে রাখেন। এ বিষয় পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে অনেকবার গাড়িটি ছেড়ে দিতে রিকোয়েস্ট করলেও সোহাগ তার দাবিতে অটল থাকেন,এক পর্যায় ২০ লাখ টাকা দিলে গাড়ি ছেড়ে দিবেন বলে জানান, নয়তো তার কাছে গেলে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেন। নিরুপায় জাহিদুল বাদি হয়েছে বাকেরগঞ্জ থানায় ও সেনাক্যাম্পে সোহাগ হাওলাদার সহ তার সহযোগী সাইদুল হাওলাদার, নজরুল সিকদার, সোহেল সিকদার, ফারুক মল্লিক সহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পরবর্তী থানা পুলিশ উভয় পক্ষে থানায় উপস্থিত হতে বললে আলোচনার এক পর্যায় ক্ষিপ্ত হয়ে জাহিদুলের সঙ্গীয় লোকজনের উপর থানার সামনে বসে হামলা করে, সে পরিস্থিতিতে কতিপয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় জাহিদুল প্রান নিয়ে পালিয়ে ঘটনা স্থল ত্যাগ করেন। অদ্ভুত পরিস্থিতিতে পুলিশ বিষয় টি জেলা বি এন পির আহবায়ক সাবেক এমপি আবুল হোসেন খানকে দায়িত্ব দেন, তিনি সবাই কে নিয়ে বসলে বেড়িয়ে আসে সোহাগ হাওলাদার গং এর অনৈতিক কর্মকান্ডের নানান ফিরিস্তি, অবশেষে বি এন পির নীতি নির্ধারকরা গাড়িটি মালিক পক্ষের জিন্মায় বুঝিয়ে দেন। কিন্তু বিষয় টি মেনে নিতে পারেননি সোহাগ হাওলাদার গং, তারা যে কোনো মূল্যে জাহিদুল ইসলাম কে এলাকা ছাড়া করার হুমকিতে কতিপয় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কিছু ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি করে মিথ্যা বনোয়াট মনগড়া তথ্যে পরিবেশন করে। এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে উঠে পরে লেগেছেন। যা বি এন পির নীতি নির্ধারনের সিদ্ধান্তের চুড়ান্ত অবমাননা ও ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। তারা অনতি বিলম্বে সোহাগ হাওলাদার সহ তার সহযোগীদের দল থেকে বহিস্কার করে দলের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন। উল্লেখিত সোহাগ হাওলাদার একজন চোর চক্রেয় সক্রিয় সদস্য সোহাগ নিজ চাকরি হারিয়েছে চুরির দায়ে আর ওর ফুপাতো ভাই রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের হোসেন কসাই সাতটি গরুচুরি করে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে হাতেনাতে ধরা পরে জেল খেটে বের হয়েছে কিছু দিন আগে, এ ধরনের চিহ্নিত চোর চক্র দলের সদস্য পদ পেয়ে বেপরোয়া হবেন এতে আর সন্দেহ কি,,? দলের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে জরুরী ব্যবস্থা নেওয়া এখনই সময় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।