1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. info@barisalerkhobor.com : editor :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
ইংল্যান্ড নাকি নরওয়ে সেমিফাইনাল খেলবে কে, সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী গাজীপুরে ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মী আটক শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই: নাহিদ ইসলাম রাজনীতি কেবল ক্ষমতা ভোগের প্রক্রিয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী বন্যার ঝুঁকিতে আরও ৫ জেলা ইরানকে জানিয়ে দিয়েছি যুদ্ধবিরতি শেষ, তবে আলোচনা চলবে: ট্রাম্প বন্যা মোকাবিলায় চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী মোতায়েন বাকেরগঞ্জে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশে আসছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী রাজাপুরে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দখলবাজির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন-ঝাড়ু মিছিল

ডেসকোতে অনিয়ম: শর্ষের ভূত তাড়ানোর পদক্ষেপ নিন

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৭৪ Time View

সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর সিন্ডিকেটের কারণে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) এখন লোকসানি প্রতিষ্ঠান। সোমবার যুগান্তরের খবরে প্রকাশ, এ সিন্ডিকেটের ভয়াবহ অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের কারণে বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে লাভজনক কোম্পানিটিতে ক্রমেই বাড়ছে সিস্টেম লস।

জানা যায়, ২০১৪ সালে ওই প্রতিমন্ত্রী ক্ষমতা গ্রহণের আগেও ডেসকো বছরে ২৫০ কোটি থেকে ৪০০ কোটি টাকার বেশি লাভ করত। আর এখন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি, ঘুস বাণিজ্য এবং বিভিন্ন অদক্ষতার কারণে মাসে গড়ে ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে। এদের কারণেই এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে নেওয়া ৩ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজও শুরু করা যায়নি। কারণ, প্রকল্পের নেতৃত্বে যারা, তাদের অধিকাংশই ওই সিন্ডিকেটের সদস্য।

শুধু তাই নয়, সিন্ডিকেটের অদূরদর্শিতা আর কমিশন বাণিজ্যের কারণে ডেসকোর ৪০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ কয়েকটি দুর্বল ব্যাংকে ফ্রিজ হয়ে আছে। তারল্য সংকটের কারণে ওই টাকা দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো। অথচ এ খাত থেকে এখনো প্রতি মাসে সিন্ডিকেট সদস্যদের পকেটে পৌঁছে যাচ্ছে কমিশন।

ডেসকো একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, দুর্নীতির কর্মকাণ্ডকে নির্বিঘ্ন করতে এ প্রতিষ্ঠানটির নীতিনির্ধারণী পদগুলো শূন্য রেখে সিন্ডিকেট কেবল লুটপাটই চালিয়েছে। ফলে সেবাপ্রত্যাশীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উন্নয়ন, মুখ থুবড়ে পড়ছে প্রতিষ্ঠানটির নিয়মিত কার্যক্রম। এমন অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যকর করে তুলতে ব্যাপক সংস্কারের বিকল্প নেই। ইতঃপূর্বে অবাস্তব খরচ দেখিয়ে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর পুনঃনিরীক্ষা ও সমীক্ষা হওয়া প্রয়োজন।

দেশের প্রতিটি জনগুরুত্বপূর্ণ খাতে বিগত সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দায়িত্বের বিপরীতে চলার নজির ক্রমেই প্রকাশ পাচ্ছে। সে সময় দেশের গণমাধ্যম নানা চাপের মধ্যে থেকেও এসবের কিছু চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। পরিতাপের বিষয় হলো, এরপরও সেসব নিরসনে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি এবং এর কারণ হলো ‘শর্ষের ভেতরের ভূত’!

বিগত সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অবসানের পর আমরা আশা করব, বিদ্যুৎ খাতের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোয় গেড়ে থাকা অনিয়ম-দুর্নীতির শিকড় উৎপাটনে অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকেই চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। দায়িত্বশীল পদগুলোয় সততা ও যোগ্যতার নিরিখে যোগ্য ব্যক্তিদের পদায়ন করা হলে এসব প্রতিষ্ঠান লোকসান কাটিয়ে আবারও লাভের মুখ দেখবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © ২০২৪

Theme Customized By BreakingNews