বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্লান বিহীন ভবন নির্মান করে পার্শবর্তী বাসিন্দাদের দূর্ভোগে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিকার চেয়ে সিটি কর্পোরেশনর দারস্থ হয়েছে ভূক্তভূগি প্রতিবেশীরা। বহাল তবিয়তে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ভবন মালিক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেও ব্যবস্থা নিতে পারছেনা সিটি করপোরেশনের কর্মচারী ও কর্মকর্তারা।
ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল নগরীর কাউনিয়া প্রধান সড়কের তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদের সংলগ্ন শহিদ হোসেন তালুকদারের পুত্র মনোয়ার হোসেন জিপু তার জমিতে প্লান বিহীন ভবন নির্মান কাজ শুরু করেছেন।
নির্মানাধীন ভবনের পার্শ্ববর্তী এক বাসিন্দা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান আমি দীর্ঘদিন প্রতিবেশী।বিভিন্ন সময়ে অহেতুক গালাগালি করেন এবং এখন যে ভবনটি নির্মাণ করছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আইন অনুযায়ী আমার ভবন এবং তার নবনির্মিত ভবনের মাঝখানে যতটুকু খালি জায়গা রাখা দরকার তা তিনি রাখেননি।
এমনকি তার গালাগালির ভয়ে আমি মসজিদে নামাজ পড়তেও যাই না। এছাড়াও এলাকার অন্যান্য প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন মনোয়ার হোসেন জিপু আমাদের সাথে বিভিন্ন সময় খারাপ আচরণ করে থাকেন। আমাদের দেশ অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে মুক্ত হয়েছে, আমরা সকলে এই মনোয়ার হোসেন জিপুর অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে চাই।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে মনোয়ার হোসেন জিপু বলেন প্লান বিহীন ভবন নির্মান নির্মাণ করছি কিনা সিটি কর্পোরেশনকে জিজ্ঞেস করেন।
সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট শাখায় জানালে রোড ইন্সপেক্টর সাজ্জাদ ভবনটি পরিদর্শন করতে আসেন, এ সময় তার সাথে অসহযোগ ও খারাপ আচরণ করেছে বলে জানা গেছে, এ বিষয়ে রোড ইন্সপেক্টর সাজ্জাদ এর কাছে মুঠোফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সাথে যা করেছে তার মীমাংসা হয়ে গেছে।
কিছু বলার হলে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃইসরাইল হোসেনকে একাধিকবার মুঠ ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পার্শ্ববর্তী ভুক্তভোগী প্রতিবেশীরা জানান সিটি করপোরেশনের প্লান অনুমোদন করে তার ভবন নির্মাণ করুক, তাতে আমাদের কেন আপত্তি নাই।