1. admin@barisalerkhobor.com : admin : Md Mohibbullah
  2. editor@barisalerkhobor.com : editor :
বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দিনাজপুর বিরল ফরক্কাবাদ ইউনিয়নে চশমা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম প্রচারণায় ব্যস্ত কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত গ্রেফতার বরিশালে কারেন্ট জাল ও মাছ সহ আটক ২০ বরিশালে দুর্গাসাগরে পুণ্যস্নানে নেমে কলেজছাত্রের মৃত্যু বরিশালে ইউপি চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ *ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বানাড়ীপারায় সংযোগ সড়ক ছাড়াই ব্রিজ উদ্বোধন, দুর্ভোগে এলাকাবাসী টিকটকে কিশোর-কিশোরীর পরিচয়: অত:পর বাল্যবিবাহ বাকেরগঞ্জ বড়িয়া বিপিএল কমিটির উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত উজিরপুরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্রাক ম্যানেজারের বাসায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দিরে পরিদর্শনে আসেন – উপ-সচিব দেবী চন্দ ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার উত্তম কুমার পাল

পুলিশ না চাইলে ফুটপাতে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে না: হকার্স লীগের সভাপতি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০২৪
  • ৯ Time View

বাংলাদেশ হকার্স লীগ ও হকার্স ফেডারেশনের সভাপতি এমএ কাশেম বলেছেন, পুলিশ না চাইলে ফুটপাতে চাঁদাবাজি কখনই বন্ধ হবে না। কারণ ফুটপাত মানেই টাকার খেলা। ফলে যেখানেই হকার, সেখানেই আছে লাইনম্যান-চাঁদাবাজ।

তিনি বলেন, চাঁদাবাজি ও পুলিশি হয়রানি বন্ধে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু এতে কোনো লাভ হয়নি। প্রায় সব বৈঠকেই চাঁদাবাজি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয় না। ফলে চাঁদাজদের হাত থেকে এখনও হকারদের মুক্তি মেলেনি। তিনি বলেন, হকারদের বৈধতা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় সরকারের তরফে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালের একনেক সভায় তৃণমূল হকারদের পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু আজও তা আলোর মুখ দেখেনি। ১/১১-এর সরকার নামে পরিচিত বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে হকার পুনর্বাসনে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় রাজধানীর বেশ কয়েকটি জায়গায় স্থাপন করা হয় বিশেষ হলিডে মার্কেট। জায়গাগুলোতে হকারদের বসতে কোনো চাঁদা দেওয়া লাগত না। কিন্তু বর্তমানে হলিডে মার্কেটের কোনো অস্তিত্ব নেই। সব জায়গায় চাঁদা দিতে হয়।

এমএ কাশেম আরও বলেন, হকারদের পুনর্বাসনে কেউ আন্তরিক নয়। ফলে এ সংক্রান্ত কোনো উদ্যোগই আলোর মুখ দেখেনি। এক সময় নিজের হকার জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ফুটপাতে হকারি করতে গিয়ে তাকেও চাঁদাবাজদের লাথি খেতে হয়েছে। এ কারণে খুব কাছ থেকে তিনি হকার জীবনের দুর্দশা দেখেছেন। তাই তিনি দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে হকারদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার।

তিনি বলেন, হকার সৃষ্টির মূল কারণ বেকারত্ব। জীবিকার সন্ধানে প্রতিনিয়ত ঢাকামুখী হচ্ছে মানুষ। কিন্তু রাজধানীতে সবার কর্মসংস্থান হচ্ছে না। ফলে স্ব-শিক্ষিতরা ছাড়াও শিক্ষিত বেকারদের অনেকেই ফুটপাতে দোকান খুলে বসছেন। কিন্তু এক পর্যায়ে তারা চাঁদাবাজদের লালসার শিকার হন। ফলে লাভ দূরে থাক অনেকে পুঁজি হারিয়ে পথে বসেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজধানীর অনেক এলাকার ফুটপাতে দোকান দিতে গেলে এখন মোটা অঙ্কের এককালীন অর্থ দিতে হয়। টাকার অঙ্ক কোথাও ২০ হাজার আবার কোথাও ৫০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে আছে নির্ধারিত দৈনিক চাঁদা। অথচ হকারদের মাথার ওপর ছাদ নেই। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাদের ব্যবসা করতে হয়। রাস্তার সামান্য উপার্জন দিয়েই কোনোমতে তাদের সংসার চলে। এর মধ্যেও অনেকে উজ্জ্বল আগামীর স্বপ্ন দেখে। খেয়ে না খেয়ে কেউ কেউ সন্তানদের উচ্চশিক্ষিত করে। এখন অনেক হকারের সন্তানরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। এমএ কাশেম বলেন, এখন হকার সংগঠনের ব্যানারেও চাঁদাবাজি হয়। এ কারণে একের পর এক ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে হকার সংগঠন। ইতোমধ্যে আদালত অর্ধ ডজন হকার সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু তাতে কী। অসাধু লোকজন এতে হাত গুটিয়ে বসে নেই। তিনি বলেন, কে কোন এলাকার চাঁদাবাজ বা লাইনম্যান তার সবই জানে পুলিশ। সংশ্লিষ্টদের তালিকাও আছে থানায়। কিন্তু তাদের গ্রেফতারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। রাজধানীতে হকার কমাতে হলে একদিকে কর্মসংস্থান যেমন বাড়াতে হবে তেমনি চাঁদাবাজদেরও অবিলম্বে গ্রেফতার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তৃণমূল হকারদের পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে। তা না হলে এই অরাজক পরিস্থিতির অবসান সুদূরপরাহত।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved ©
Theme Customized By BreakingNews
Optimized by Optimole