1. admin@barisalerkhobor.com : admin : Md Mohibbullah
  2. editor@barisalerkhobor.com : editor :
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড: তদন্ত হওয়া উচিত

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩২ Time View

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শনিবার রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সহস্রাধিক বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কিছু জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। তারা টুইট বার্তায় আটশ রোহিঙ্গা পরিবার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন এবং তাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানান। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর একইভাবে আরও একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫০টি রোহিঙ্গা বসতঘর পুড়ে যায়। জানা যায়, গত কয়েক বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় বহুবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর বেশিরভাগই ঘটেছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের কারণে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো নিছক অগ্নিকাণ্ড নাকি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডেরই অংশ তা তদন্ত করে দেখা দরকার। রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যাক, সেটা চায় না সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো। তাই প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা শুরু হলেই রোহিঙ্গা শিবিরে বেড়ে যায় সন্ত্রাসী তৎপরতা। অভিযোগ রয়েছে, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ সরাতে নানা রকম ষড়যন্ত্র সক্রিয় রয়েছে। কাজেই ষড়যন্ত্রকারীদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পের ভেতরে-বাইরে বহু সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে উঠেছে। এতে ক্যাম্পের অভ্যন্তরে প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি ও খুনোখুনির মতো ঘটনা ঘটছে। বস্তুত, নিজ বাসভূমি থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী শুরু থেকেই বাংলাদেশের জন্য বড় এক সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয়রা আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। উদ্বেগের বিষয় হলো, উত্তরোত্তর সংকটের মাত্রা বাড়লেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কোনো অগ্রগতি লক্ষ করা যাচ্ছে না। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সরকার বরাবরই জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু দীর্ঘ ৮ বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। ২০১৭ সালের নভেম্বরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ চুক্তি স্বাক্ষর করলেও এতে কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের মাঝেই রয়েছে এসব সংকটের সমাধান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved ©
Theme Customized By BreakingNews
Optimized by Optimole