1. admin@barisalerkhobor.com : admin : Md Mohibbullah
  2. editor@barisalerkhobor.com : editor :
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন

পায়ে ধরেও কেন্দ্রে আনতে পারেনি ভোটারদের: গণতন্ত্র মঞ্চ

  • Update Time : রবিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১০ Time View

মানুষ বিরোধী দলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সরকারের পাতানো নির্বাচন বর্জন করেছে। ডামি নির্বাচনে ডামি লাইন দেখিয়ে ভোটারদের অংশগ্রহণ দেখানো যাবে না। সরকার ভোটারদের হাতে-পায়ে ধরেও ভোট কেন্দ্রে আনতে পারেনি।

রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে একতরফা নির্বাচন বর্জন করে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা এসব কথা বলেন।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের সভাপতিত্বে ও জেএসডির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তৃতা করেন, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু।

নেতারা বলেন, সারাদেশের ভোট কেন্দ্রে মানুষ ভোট দিতে যায়নি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জোরজবরদস্তি, হুমকি-ধামকি দিয়েও ভোটকেন্দ্রে জনগণকে উপস্থিত করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, গণতন্ত্র আছে- প্রমাণ করতে মানুষ ভোট দিতে আসবে। কিন্তু মানুষ ভোট প্রত্যাখ্যান করে প্রমাণ করেছে, দেশে কোন নির্বাচন ও গণতন্ত্র নেই বলে। দেশের মানুষকে হুমকি-ধমকি, প্রলোভন কিংবা হাতে-পায়ে ধরেও ভোট কেন্দ্রে আনতে পারেনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের বক্তব্য দিয়েছেন যে, শতকরা ১ ভাগ ভোটার উপস্থিতি হলেও নির্বাচন আইনি বৈধতা পাবে। এর মাধ্যমে  প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই পরোক্ষভাবে স্বীকার করলেন, ভোটাররা এই একতরফা, ডামি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। ৭ জানুয়ারি যেমন ফেলানির লাশ কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, তেমনি এই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশের জনগণকেও ঝুলিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু জনগণ এই সরকারের একতরফা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে নতুন গণপ্রতিরোধের সূচনা করেছেন। এ গণপ্রতিরোধের উপর দাঁড়িয়েই জনগণের আন্দোলনকে বিজয়ী করতে হবে। নতুন করে বাংলাদেশের আইন, সংবিধান, বিচারব্যবস্থা সংস্কার করতে হবে। এ দেশকে স্বাধীন ও মর্যাদাবান নাগরিকের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ‘ভুয়া রাজনীতি ও সরকার’ এবং ‘মাফিয়াগোষ্ঠীর’ ক্ষমতা থেকে হঠিয়ে দিয়ে জনগণের দেশ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার রাজনীতি গড়ে তুলতে হবে।

এছাড়া রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে কয়েকটি সংগঠন ভোট বিরোধী কর্মসূচি পালন করেছে। সংগঠনগুলো হলো, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), গণ আধিকার পরিষদ (রেজা কিবরিয়া), দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন, বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি,  ১২দলীয় জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) পৃথকভাবে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ভোট বিরোধী নানা শ্লোগান দেয়। প্রায় কর্মসূচিতে বলা হয়, সরকার দেশের মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে একতরফা প্রহসনের নির্বাচন পরিচালনা করছে। কিন্তু জনগণ বিরোধী দলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রত্যাখ্যান করেছে। ভোট কেন্দ্রে মানুষ উপস্থিত না হওয়ায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের দিয়ে ভোটারদের ডামি লাইন দেখানো হয়েছে। ভোট বর্জন করে দেশে কোন নির্বাচন নেই বলে মানুষ জানিয়ে দিয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved ©
Theme Customized By BreakingNews
Optimized by Optimole