1. admin@barisalerkhobor.com : admin : Md Mohibbullah
  2. editor@barisalerkhobor.com : editor :
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

বছর শেষে ফের কি ফিরে আসছে করোনা

  • Update Time : শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৩ Time View

ভারতসহ বিশ্বব্যাপী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাসের সাবভ্যারিয়েন্ট জেএন.১। নভেম্বরের ২০২৩ সালের শুরুতে এতে আক্রান্ত ছিল প্রায় ৩ শতাংশ। কিন্তু এক মাসে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার হার ২৭.১ শতাংশ। আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যাওয়ারও খবর পাওয়া যাচ্ছে। জেএন.১-এর সঙ্গে যুক্ত লক্ষণগুলোর সঙ্গে ভাইরাসের পূর্ববর্তী রূপের উপসর্গগুলোর সাদৃশ্য রয়েছে। জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা, মাথাব্যথার মতো উপসর্গগুলোও দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হচ্ছে, জেএন.১ ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের ক্ষেত্রে পেটের সমস্যা যেমন পেটে ব্যথা, ডায়ারিয়ার সমস্যা বেশি হচ্ছে। তবে এর জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, টিকার কারণে যে ইমিউনিটি তৈরি হয়, তা দিয়ে জেএন.১ থেকে কতটুকু সুরক্ষা মিলবে, সে ব্যাপারে খুব বেশি প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আগের ধরনগুলোর চেয়ে নতুন ধরনে সংক্রমণের কারণে মানুষ অপেক্ষাকৃত বেশি অসুস্থ হচ্ছে বলে খবর জানা যায়নি। সংস্থার ঝুঁকিসংক্রান্ত এক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, বিশেষ করে, যেসব দেশে শীত মৌসুম শুরু হচ্ছে, সেখানে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত অন্যান্য সংক্রমণগুলোর পাশাপাশি এ ধরনের কারণে সারস-কভ-২ (করোনাভাইরাস)-এর প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। সংস্থাটি মনে করছে, স্বাস্থ্যের ওপর এ ধরনের প্রভাব নির্ণয়ের জন্য আরও বেশি গবেষণা হওয়া প্রয়োজন।

জেএন.১ ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা আগের অমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের থেকে অনেকটাই বেশি। কিন্তু এ ভ্যারিয়েন্টির সংক্রমণ সত্য অনেকটাই কম, খুব বেশি যে অসুস্থ করে ফেলতে পারবে করোনার এ ভ্যারিয়েন্ট, তা কিন্তু নয়। আগের কয়েকবার যেমন দেখা গেছে অনেক মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছে, আইসিইউতে দিতে হচ্ছে, এ ভ্যারিয়েন্টে সেরকমটা হওয়ার আশংকা নেই। শুধু বয়স্ক মানুষ বা অন্যান্য রোগে ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে হয়তো হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

* সংক্রমণ ও মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে করণীয়-

▶ জনাকীর্ণ ও বদ্ধ জায়গায় মাস্ক পরতে হবে।

▶ মাস্ক পরলে করোনাসহ সর্দি, কাশিও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

▶ কাশি বা হাঁচির সময় নাক ও মুখ ঢেকে রাখতে হবে।

▶ কোভিড এবং টিকার নতুন নতুন তথ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে।

যে কোনো সংক্রমণ ঠেকাতে, তা সে ভাইরাস কি ব্যাকটেরিয়া কি অন্য কিছু, শরীরের প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে জোরদার করে তুলতে ভিটামিন ডি-এর ভূমিকা রয়েছে। ভিটামিন ডি ত্বকের ওপর সূর্যের আলো থেকে উৎপাদিত হয় এবং এটি স্বাস্থ্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা জন্য প্রয়োজনীয়। আশংকা হলো, ত্বক বাঁচাতে অনেকেই গায়ে রোদ লাগাতে চান না। ফলে, শরীরে স্বাভাবিক মাত্রায় যে ভিটামিন-ডি থাকা জরুরি, তা থাকছে না। দেশের প্রায় ৭০-৯০ ভাগ মানুষ কোনো না কোনোভাবে ভিটামিন ডির স্বল্পতায় ভুগছেন। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রোদ সবচেয়ে ভালো। এ সময়ে ১০ মিনিট থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত সপ্তাহে দুবার রোদে বসলে উপকৃত হওয়া যায়। যতটা সম্ভব ছোট হাতার পাতলা কাপড় পরতে হবে, যেন রোদ গায়ে সরাসরি লাগে। মুখে রোদ লাগাতে না চাইলে সূর্যের দিকে পিঠ এলিয়ে দিয়ে বসতে পারেন। ত্বক খুব বেশি স্পর্শকাতর না হলে সানস্ক্রিন ছাড়া কিছু সময় রোদে বসলে ত্বক বেশি ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। সানগ্লাস পরেও রোদে বসা যায়।

চর্বিযুক্ত মাছ যেমন স্যামন, ম্যাকারল, মাছের তেল, গরুর কলিজা, ডিমের কুসুম, পনির, সয়া, কমলার জুস ইত্যাদিতে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

তবে খাবারের চেয়ে সময়মতো নিয়ম মেনে সূর্যের আলো গ্রহণ করাই ভালো। কেননা ক্যালসিয়াম শোষণে ভিটামিন ‘ডি’র উপস্থিতি শরীরের জন্য বেশ দরকার, যা বিনা মূল্যে মেলে সূর্যের আলো থেকে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved ©
Theme Customized By BreakingNews
Optimized by Optimole