1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. h.m.shahadat2010@gmail.com : editor :
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০০ পূর্বাহ্ন

ভূয়া সনদ ও পরিচয়পত্রে ১০ বছর চাকরি করছে অফিস সহায়ক কালাম

  • Update Time : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৫ Time View

ডেক্স রিপোর্টঃ

তালাবদ্ধ স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ব্যহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শোকজ করে অফিস আদেশ দেন সুলতানাবাদ উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অফিস সহায়ক কালাম সিকদারের বিরুদ্ব্বে । অফিস আদেশ পাওয়ার পরের দিনও তিনি অফিস খুলেন ১০ টার করে প্রশ্ন উঠছে কে বড়কর্তা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাকি উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অফিস সহায়ক কালাম সিকদার। কাগজে কলমে
স্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে, আছে রোগীও, শুধু নেই চিকিৎসার জন্য কোনো ডাক্তার কিংবা চিকিৎসাপত্র। অফিস খোলার জন্য নেই অফিস সহকারি। মাসের পর মাস খোলা হয়না স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। দরজা থাকে ২৪ ঘন্টা তালাবদ্ধ। উত্তোলিত হয়না সরকারী কোন দিবসেও জাতীয় পতাকা। মাসের মধ্যে দুই একবার এসে হাজিরা খাতায় পুরমাসের সই-স্বাক্ষর দিয়ে চলে যায় অফিস সহায়ক মোঃ কালাম সিকদার ।
কে এই অফিস সহায়ক কালাম সিকদার?
জানাযায়, তার গ্রামের বাড়ি ২ নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ানে ভাজনা কদমতলা গ্রামে। ১৯৯০ সালে মির্জাগঞ্জ দরগা শরিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এস এস সি পরিক্ষা দিয়ে ১০ বিষয়ে ফেল করে ঢাকায় গিয়ে তার ফুপাতো ভাই বাদল হাওলাদের সহযোগিতায় গার্মেন্টস এ চাকরি নেয়। ১৯৯১ সালে দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে দেশে এসে প্রথম ভোটার হন। এর পরে তিনি দীর্ঘ জীবন গার্মেন্টস এ চাকরি করে ২০০২ সালে বিয়ে করেন পটুয়াখালী সদর উপজেলায় বদরপুরের ততকালীন পটুয়াখালী সিভিল সার্জন অফিসের অফিস সহায়কের মেয়ে মুকুল কে। বিয়ের পর পর তিনি আবার চলে যায় তার কর্মজীবন ঢাকায় মাঝখানে কেটে যায় প্রায় ১০ বছর। এর পরে তার শ্বশুরের সহযোগিতায় ভোটার আইডি গোপন রেখে তার মামা কালাম মাওলানার মাধ্যমে একটি মাদ্রাসা থেকে অষ্টম শ্রেনী পাশের একটি ভূয়া সার্টিফিকেট নিয়ে তিনি ২০১২সালে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে অফিস সহায়ক পদে যোগদান করেন। আজ পর্যন্ত কোন নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে পারেন না কারন তার ভোটার আইডি কার্ড ও অষ্টম শ্রেনী পাশের সার্টিফিকেটে জন্ম সন আলাদা আলাদা। এর পরে তিনি একটি জাল ভোটার আইডি কার্ড ব্যাবহার করে সাময়ীক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে এলাকাবাসী জানান। তিনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে অষ্টম শ্রেনী পাশের সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নিয়েছেন সেই প্রতিষ্ঠানের বিগত দিনের হাজিরা খাতা যাচাই করলে তার কোনো ক্লাসের হাজিরা খাতায় তার উপস্থিতির কোন চিহ্ন খুজে পাওয়া যাবেনা। কারন তিনি মির্জাগঞ্জ দরগা শরিফ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে লেখা পড়া করছে। দাম্ভিকতা করে বলেন মাসে এক, দুই দিন অফিস করবো আর মাস শেষে বিল তুলবো। এভাবে কিছুদিন যেতে না যেতেই তিনি হয়ে যান চালিতা বুনিয়া উপ স্বাস্থ্য কেন্দের নিয়মিত ডাক্তার আবুল কালাম সিকদার এনিয়ে ২০১৭ সালে দেশের সব জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয় মির্জাগঞ্জে সুলতানাবাদ চালিতা বুনিয়া উপ স্বাস্থ্য কেন্দের পিয়ন এখন ডাক্তার, দিচ্ছেন নিয়মিত ওষুধ করেন প্রেসক্রিপসনও। এভাবেই চলতে থাকে কালামের চাকরির জীবন পরবর্তী ঘটনা ১৯/৯/২২ রোজ শোমবার অভিযোগের সূত্রধরে ঘটনাস্থাল সুলতানাবাদ উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সকাল ৯/৩০ মিনিট এসময় সামনে কয়েকজন অসুস্থ রোগী বসা। স্বাস্থ্য কেন্দ্র তালা বন্ধ জিঙ্গাস করলেই জ্বরে কাতরাচ্ছেন এমন একজন রোগি সাংবাদিক পরিচয় জেনে মনের ক্ষোভের কথা বলে, কি বলবো ভাই ভাদ্রমাস শুরু হয়েছে যেদিন, সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত এই হাসপাতাল একদিনের জন্যও খোলা হয় নি। আমরা গরিম মানুষ আমাদের এই জনপদে নেই কোন হাসপাতাল একটু অসুস্থ হলে সুবিদখালী নয়তো বরগুনা গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয় আমাদের। আর পিয়ন সেতো জমিদার আসেই না। এবার অফিস সহায়ক কালম সম্পর্কে জানতে তার এলাকা ভাজনা কদমতলায় গেলে কথা হয় মোঃ আউয়ালের সাথে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন শুনছিলাম কালাম সিকাদারের চাকরি হইছিল পিয়ন পদে এখন দেখি তিনি বড় ডাক্তার মাসে দুই একদিন অফিস করলেই নাকি তার হয়। তিনি আরো বলেন তিনি কালাম সিকদার তো আমাগো এলাকার বড় ডাক্তার বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা করেন। সরকারি ওষুধ চুরি করে এনে আমাদের কাছে বেশি দাবে বিক্রি করে।একটু সামনে আগালে কথা হয় হালিম সিকদারের সাথে তিমি বলেন ভাদ্রমাস কালম তো চাষাবাদ করে কয়দিন অফিস না করলে কি হয় আপনারা বাড়ি পর্যন্ত কেন এসেছেন কে আনছে আপনাদের আর কয়দিন পরে জমিতে আমর ধানের বীজ রোপন শেষ হবে তার পর ঠিকমতো অফিস করবে। নাম প্রকাশ না করার শর্থে একজন বৃব্ধা ক্ষোভের সাথে জানায় ভাই কি বলবো তার অত্যচারে এলাকায় থাকা কষ্ট।স্থানীয় জলিলের চায়ের দোকান গিয়েও জানা জায় তিনি প্রায় একমাস অফিস করেন না।

অভিযুক্ত অফিস সহায়ক মোঃ আবুল কালাম সিকদার বলেন, এসব কিছু মিথ্যা। আমরা সকল কাগজ পত্র সঠিক আছে।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ তেনমং বলেন, নিয়মিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে উপস্থিত না থাকায় তাকে কারন দর্শণে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।জবাব সন্তোষজনক না হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com