1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. h.m.shahadat2010@gmail.com : Barisalerkhobor : Barisalerkhobor
বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মেলার প্রস্তুতিমূলক সভা ঝালকাঠি নলছিটিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ৩ সদস্য কমিটি গঠন ২৮ পর্যটক নিয়ে বরিশালে ভারতের প্রমোদতরী গঙ্গাবিলাস সবাইকে নির্ধারিত মূল্যে এলপি গ্যাস বিক্রি করতে হবে শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করবে আওয়ামী লীগ ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদরাসা প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ২৫৬ জন এ+ পেয়ে মাদরাসা বোর্ডে শীর্ষে অবস্থান এবার নিজের নামে ফাউন্ডেশন খুলবো: হিরো আলম অভিনেত্রী শারমিন আঁখির অবস্থা শঙ্কামুক্ত : চিকিৎসক অভিনয় নয়, ‘সময় কাটানো’র প্রস্তাব অভিনেত্রীকে যে দৃশ্যে বুক কাঁপে

নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ, সুষ্ঠু নির্বাচনের সহায়ক হোক

  • Update Time : শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৯০ Time View

অনলাইন ডেস্কঃ

নির্বাচন কমিশন আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে। আগামী সপ্তাহে এ রোডম্যাপ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে। রোডম্যাপ অনুযায়ী দেশের নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল তাদের শর্তাবলি প্রতিপালন করছে কিনা, তা খতিয়ে দেখবে নির্বাচন কমিশন।

এ লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন শর্তাদি প্রতিপালনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তথ্য পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়া নতুন দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামী জুনের মধ্যে শেষ করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করার ক্ষেত্রে কমিশনের ভূমিকা একক নয়। বলা হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও সমর্থক, ভোটার, মিডিয়া, নাগরিক সমাজ ও পর্যবেক্ষকদেরও ভূমিকা রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে রোডম্যাপে।

এই চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে-রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা সৃষ্টি, প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন, অর্থ ও পেশিশক্তির নিয়ন্ত্রণ, সব দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি অনুসরণ, নিয়মতান্ত্রিক প্রচারে প্রার্থীদের বাধার সম্মুখীন না হওয়া এবং ভোটকেন্দ্রে প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটারদের অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করা।

ইভিএম প্রসঙ্গে বলা হয়েছে-আওয়ামী লীগসহ ১২টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দিয়েছে, ছয়টি দল ইভিএম ব্যবহারের বিপক্ষে মত দিয়েছে। বাকি দলগুলো শর্তসাপেক্ষে ইভিএমের পক্ষে মত দিয়েছে। ওই শর্ত দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমত, ইভিএমে ভিভিপ্যাট বা এ ধরনের কিছু সংযোজন করা, যাতে ভোটাররা বুঝতে পারেন তারা কোন প্রতীকে ভোট দিয়েছেন।

দ্বিতীয়ত, ভোটারদের মাঝে এই মেশিন পরিচিত করা এবং কোনো কারচুপি করার সুযোগ না থাকলে এ মেশিন ব্যবহার করা। রোডম্যাপে বলা হয়েছে, ইভিএমে ভিভিপ্যাট সংযোজনের সুযোগ নেই, তবে এতে ভিভিড্যাট রয়েছে, যাতে কে কত ভোট পেয়েছেন তার লগ থাকে। কেউ আদালতে চ্যালেঞ্জ করলে ওই লগ থেকে আদালত সঠিক রায় দিতে পারবেন।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন যে রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে, সেটাকে ইতিবাচক বলা যায়। বস্তুত, নির্বাচন কমিশনের কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ হলো আগামী নির্বাচন। তবে যদি রোডম্যাপে উল্লেখিত বিষয়গুলোর বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব।

আমরা মনে করি, গত দুটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারে রাজনৈতিক দল ও জনগণের বৃহৎ অংশের মধ্যে আস্থার যে সংকট তৈরি হয়েছে, আলোচ্য রোডম্যাপ সেই সংকট দূর করতে অনেকটাই ভূমিকা রাখতে পারবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, রোডম্যাপ তৈরি করাই যথেষ্ট নয়, এর বাস্তবায়নই মূল কথা। আগামী নির্বাচনসংক্রান্ত একটি বড় চ্যালেঞ্জের কথা অবশ্য রোডম্যাপে নেই। দেশের অন্যতম বড় দল বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল বলছে, দলীয় সরকারের অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না।

তাদের এই সিদ্ধান্ত একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে বড় বাধা। এই বাধা কীভাবে অতিক্রম করা যায়, সরকার ও নির্বাচন কমিশন উভয়কেই তা নিয়ে ভাবতে হবে। আমরা শুধু একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই না, চাই একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনও। সেটা কীভাবে সম্ভব, সেই পথ উদ্ভাবন করতে হবে সম্মিলিতভাবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2023
Theme Customized By BreakingNews
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com