1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. h.m.shahadat2010@gmail.com : editor :
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

আবারও ভয়াবহ দুর্ঘটনা

  • Update Time : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৯ Time View

অনলাইন ডেস্কঃ

প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে; এতে হতাহত হচ্ছে মানুষ। রোববার মধ্যরাতে রংপুর-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নিহত হন পাঁচ যাত্রী; হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান আরও চারজন। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি হওয়া দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় দুই বাসের আরও অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।

একই দিনে পাঁচ জেলায় আরও ছয়জনের প্রাণহানি হয়েছে। জানা গেছে, রংপুরের দুর্ঘটনাটি যখন ঘটে তখন মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। একটি বাস তারাগঞ্জের খারুভাজ সেতুতে পৌঁছাতেই নিয়ন্ত্রণ হারান চালক; তখন বাসটি চলে যায় রং সাইডে। এরপরই দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। আহত যাত্রীদের অভিযোগ, এক বাসের হেলপারসহ যাত্রীরা বারবার চালককে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি না চালাতে অনুরোধ করলেও তিনি তা আমলে নেননি।

জানা গেছে, ঘুমের ঘোরে ছিলেন এক চালক। প্রশ্ন হলো, ঘুমের ঘোরে থাকাবস্থায় একজন চালক যাত্রীবাহী বাস চালানোর দায়িত্ব পালন করেন কী করে? উদ্বেগজনক হলো, ঘুমের ঘোরে গাড়ি চালানো, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, হেলপারের গাড়ি চালানো-এসব যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। সড়কে চলছে অনেক ফিটনেসবিহীন গাড়ি, সেসব চালাচ্ছেন লাইসেন্সবিহীন চালক। কোনো দুর্ঘটনার পরই এসব তথ্য কর্তৃপক্ষ জানতে পারে। সড়কের এসব নৈরাজ্য যাদের দেখাশোনা করার কথা, তারা কী করেন? বস্তুত ভয়াবহ নৈরাজ্যের কারণে প্রতিদিনই সড়ক-মহাসড়কে ঝরছে তাজা প্রাণ; অনেকে পঙ্গু হয়ে কাটাচ্ছেন তাদের বাকি জীবন।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাও যে পরিবহণ মালিকরা মানছেন না, ক্লান্ত-শ্রান্ত চালকদের দেখেই তা বোঝা যায়। অভিযোগ আছে, অনেক পরিবহণ মালিক চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ দেন না। ক্লান্ত চালক গাড়ি চালালে স্বভাবতই দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ খাতের দুর্নীতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে দুর্ঘটনার হার কমবে বলে মনে করি আমরা। প্রশ্ন হলো, কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে?

এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পরামর্শ প্রদান করা হলেও তা যে অরণ্যে রোদনে পর্যবসিত হচ্ছে, দেশে প্রতিদিন ঘটা সড়ক দুর্ঘটনাগুলোই এর বড় প্রমাণ। বস্তুত এ খাতের নৈরাজ্যের অবসান না হলে যত মহাপরিকল্পনাই গ্রহণ করা হোক না কেন, তাতে কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলবে কিনা এ বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com