1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. h.m.shahadat2010@gmail.com : editor : Barisalerkhobor
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম

  • Update Time : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৬৪ Time View

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দুর্নীতি-অনিয়মের বিষয়টি বারবার আলোচনায় আসে। এ প্রেক্ষাপটে সবাই আশা করেছিল, প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসন নিজেদের সামাজিক মর্যাদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন তেমন দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে না। জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা উপায়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে। বেতন-ভাতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজের সম্মানির ক্ষেত্রে এসব ঘটছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের বিধিকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পরীক্ষায় ডিউটি, প্রশ্ন তৈরি-মডারেশন, নিয়োগ বোর্ডে প্রতিনিধিত্বসহ এ ধরনের কাজে যে সম্মানি দেওয়া হয়, তার জন্য অভিন্ন বিধি বা নীতিমালা নেই। ফলে একই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন হারে অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। এভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্মানি পরিশোধে বিশৃঙ্খলা চলছে।

এ অবস্থায় অর্থ ব্যয়ে সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ‘অভিন্ন আর্থিক নীতিমালা ও হিসাব ম্যানুয়াল’ তৈরি করেছে। ইউজিসির এ উদ্যোগ কার্যকর হলে আশা করা যায়, এ খাতের আর্থিক বিশৃঙ্খলার অবসান হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেতন-ভাতার জন্য পে-স্কেল অনুসরণ করে। কিন্তু পদোন্নতি-পদায়নে এমন কিছু বিষয় চর্চা করে, যা সরকারি বিধিবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সম্প্রতি ইউজিসি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এতে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেশকিছু খাতে বিধিবহিভর্‚ত আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, অন্তত কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্রাইভারদের ‘টেকনিক্যাল অফিসার’ দেখিয়ে উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তার সমান বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের কেউ বিশেষ ভাতা, কেউবা দায়িত্ব ভাতার নামে বেতনের অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছেন।

প্রতিটি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করবে, এ লক্ষ্যেই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকে। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নিজেদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর আশা পূরণ করে বহু দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণার সুনাম ধরে রাখার পাশাপাশি আর্থিক খাতেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন, দেশবাসী এটাই আশা করে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যদি আÍসম্মান বোধের দৃষ্টান্ত স্থাপনে অনীহা সৃষ্টি হয়, এর চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে। কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠলে ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এটাই কাম্য।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com