1. mohib.bsl@gmail.com : admin :
  2. h.m.shahadat2010@gmail.com : editor :
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন

নলছিটিতে সোনারন বাংলা নামক এনজিও গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৩২ Time View

ডেক্স রিপোর্টঃ
নলছিটিতে ‘সোনার বাংলা’ নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তারাগ্রাহকের প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে

উধাও । ভুক্তভোগীদের অভিযোগ চাকরি ও ঋণ দেওয়ার কথা বলে তারা ওই টাকা সংগ্রহ করেছিল।

ক্ষতিগ্রস্তদের মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) সকালে সংস্থাটির তালাবদ্ধ কক্ষের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নলছিটি উপজেলার কুশঙ্গলে জুলাই মাসের শেষের দিকে নাসিমা বেগম নামে এক নারীর ভবনের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে ‘সোনার বাংলা’ কার্যক্রম শুরু করে। গ্রাহকদের দেওয়া পাস বইয়ে তাদের প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা ‘২৪-২৫ মতিঝিল এলাকা, ঢাকা’ উল্লেখ রয়েছে।

পটুয়াখালী সদরের আজিজুল হাকিম ও ঝালকাঠি শহরের চাঁদকাঠি এলাকার নাজমা বেগম ওই কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করতেন। তারা স্থানীয়দের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রচারণা শুরু করেন। প্রলোভনে পড়ে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা জামানত দিয়ে মাঠ কর্মকর্তা পদে চাকরি নেন স্থানীয় বাসিন্দা জেসমিন আক্তার, সুবর্ণা, আশা ও মান্নান। তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয় ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা জামানত নিয়ে ঋণ দেওয়ার। প্রলোভনে পড়ে এলাকার প্রায় ২০০ মানুষ মাঠ কর্মকর্তাদের কাছে প্রায় ২০ লাখ টাকা জামানত হিসেবে জমা দেন। মাঠ কর্মকর্তারা ওই টাকা আজিজুল হাকিমের কাছে জমা দিতেন বলে জানা গেছে।

যারা জামানত দিয়েছেন তাদের গত রোববার ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। ঋণ প্রত্যাশীরা সকালে এসে কার্যালয় তালাবদ্ধ দেখতে পান। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তারা কোনো কর্মকর্তার দেখা পাননি। স্থানীয় মাঠ কর্মকর্তারাও এ সময় কার্যালয়ে এসে বিস্মিত হন। মাঠ কর্মকর্তা পদে দায়িত্ব পালনকারী আব্দুল মান্নান বলেন, ১০ হাজার টাকা জামানত নিয়ে আমাকে ফিল্ড অফিসার পদে চাকরি দেন ব্যবস্থাপক আজিজুল হাকিম ও ঋণ কর্মকর্তা নাজমা বেগম। এলাকার প্রায় ২০০ ব্যক্তিকে গ্রাহক করে ঋণ দেওয়ার কথা বলে ২০ লাখ টাকা এনে কর্মকর্তাদের দিয়েছি। কিন্তু তারা ঋণ না দিয়ে আসল টাকা নিয়ে পালিয়েছেন।

ফুলহরি গ্রামের আইনে আলী বলেন, আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে এক লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা বলেন কর্মকর্তারা। আমি টাকা দেওয়ার পরে রোববার এসে দেখি অফিস বন্ধ। আমার মত আরো প্রায় দুইশ মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

মানপাশা গ্রামের মো. মোস্তফা বলেন, ঋণ না দিয়ে কর্মকর্তারা পালিয়েছে। আমরা টাকা ফেরত চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com