আন্তর্জাতিক ডেক্স :

লোকসভা নির্বাচনে ভোটে জিতে প্রথমবার নিজের আসন বারানসিতে গিয়ে ভোটারদের ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, এ বারের ভোটে ‘অঙ্ক নয়, জিতেছে রসায়ন’। একই সঙ্গে দাবি করেন, রাজনৈতিক অস্পৃশ্যতা এবং হিংসার শিকার ছিল বিজেপি। কিন্তু এখন সেই বিজেপিই গণতান্ত্রিক দল। গতকাল সোমবার কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পূজা দেন তিনি। তারপর একটি জনসভায় যোগ দেন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দুজনই বারানসির ভোটারদের ধন্যবাদ জানান।

এদিকে সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ভারতের সপ্তদশ লোকসভার প্রথম পর্যায়ের অধিবেশন শুরু হতে পারে আগামী ৬ জুন। চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত। এবারের প্রথম সংসদীয় অধিবেশনের চূড়ান্ত তারিখ ঠিক হবে ৩১ মে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে। তার ঠিক আগের দিনই দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি। অধিবেশনের প্রথম দিন, অর্থাৎ ৬ জুন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সংসদের দুই কক্ষের যুগ্ম সিটিং পরিচালনা করবেন। একজন প্রো-টাইম স্পিকারকেও নিযুক্ত করা হবে সেই দিনই। সমস্ত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ পরিচালনা করবেন সেই প্রো-টাইম স্পিকারই। সূত্র অনুযায়ী, ১০ জুন নতুন স্পিকার নির্বাচন করা হবে। স্পিকার নির্বাচনের পরে দুই কক্ষই প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাবেন। মোদি তাঁর বক্তৃতায় এর উত্তর দেবেন।

সরকারি সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি ভবনে আগামী বৃহস্পতিবার ৩০ মে সন্ধ্যা ৭টায় একটি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোদি ও ইউনিয়ন পরিষদের অন্য সদস্যদের শপথগ্রহণ করাবেন।

নরেন্দ্র মোদি প্রথম বিজেপি নেতা হিসেবে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধামন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিন কংগ্রেস নেতা বা নেত্রী। তাঁরা হলেন জওয়াহেরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী ও মনমোহন সিং।

গতকাল বারানসিতে জনসভায় মোদি বলেন, ‘এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে ভোটে অঙ্কের চেয়ে রসায়ন বেশি কাজ করে। প্রত্যেক বাড়িতে একজন করে মোদি কাজ করেছে এই ভোটে। আপনারা পাশে ছিলেন বলেই আমি জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।’ তিনি বলেন, তিনটি নির্বাচনে উত্তর প্রদেশ দেশের রাজনীতিতে বিরাট বদল ঘটিয়েছে। ২০১৪, ২০১৭ এবং ২০১৯ সালে বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়ে দেশের রাজনৈতিক বোদ্ধাদের পড়াশোনা চিন্তার মুখে ফেলেছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বিরোধীরা জায়গা পায়। ত্রিপুরা এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। বামদের শাসনে বিরোধীদের কথা শোনা হতো না। তাঁদের খবর কেউ জানত না। এখন ত্রিপুরায় বিরোধীদের উপস্থিতি আছে। তাঁদের কথা সবাই জানে।

সূত্র : এনডিটিভি, আনন্দবাজার পত্রিকা।

আন্তর্জাতিক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *