ডেক্স রির্পোট:
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি অফিসার একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের জন্য ২০ শে মে ২০১৮ ইং তারিখে ১৪ টি বাইসাইকেল সরবারহের জন্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে নিজস্ব প্যাডে আহবান করলে। ৩ জুন ২০১৮ ইং তারিখে উক্ত কমিটি মেসাস নবারুণ স্টোর সদর রোড বাকেরগঞ্জ কে ১লক্ষ ৪৪হাজার ২শত টাকা, মামুন ইলেকট্রনিক বাকেরগঞ্জ ১লক্ষ ৪০হাজার টাকা, জনতা ইলেকট্রনিক স্টোর সদর রোড বাকেরগঞ্জকে ১ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা দেখায়। সর্বনিম্ন দরপত্র দাতা হিসেবে মামুন ইলেকট্রনিককে নির্বাচিত করে অনুমোদন প্রদান করে।
এ বিষয়ে মেসার্স নবারুণ স্টোরের প্রোপাইটার মজিবুর রহমান বলেন, কোটেশন বিজ্ঞপ্তির বিষয় কিছুই জানিনা এবং মেসার্স নবারুন ষ্টোরের ক্যাশ মেমো দেখানো হয়েছে। উক্ত ক্যাশ মেমোর বিক্রেতার স্থানে যে স্বাক্ষর দেয়া আছে সে স্বাক্ষর আমার না।
জনতা ইলেকট্রনিকের প্রোপাইটার রনজিৎ কুমার দে বলেন, আমার দোকানে ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রি হয়, কোন বাইসাইকেল বিক্রি করি না। আর এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। ক্যাশ মেমোতে যে স্বাক্ষর আছে সে স্বাক্ষর আমার না।
মামুন ইলেকট্রনিকের প্রোপাইটার মামুন হাওলাদার বলেন, আমার প্রতিষ্ঠান থেকে কোন কোটেশন দেওয়া হয়নি এবং কোন সাইকেলের বিষয়ে আমরা জানি না আর আমার দোকান থেকে পুরাতন বা নতুন কোন সাইকেল খুচরা পাইকারি বিক্রি হয় না। ১৪ জুন ২০১৮ ইং তারিখের ক্ষমতা প্রদানের একটি প্যাডে লেখা আছে ১৪টি বাইসাইকেল বিলের টাকা মামুন ইলেকট্রনিকের পক্ষে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাঠ সহকারী মিঠুন চন্দ্র শীলকে চেকটি গ্রহন করার ক্ষমতা দেখানো হয়েছে। উক্ত প্যাডে যে স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে সে স্বাক্ষর আমার না। অফিস আমার স্বাক্ষর জাল জালিয়াাতি করেছে।
এ বিষয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাঠ সহকারী মিঠুন চন্দ্র শীল বলেন, স্বাক্ষর ও চেক ক্ষমতা প্রদানের বিষয়ে আপনাদের কোন তথ্য দেব না। আপনারা নিউজ করেন আমাদেও উর্ধতন কর্তৃপক্ষ আছে তারা ব্যবস্থা নিবে।
এ ব্যাপারে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মাঠ কর্মীর সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, আমাদের অদ্যবধি পর্যন্ত কোন সাইকেল প্রদান করেনি। আমাদের কর্মীদের কাছে শুনছি আমাদের নামে না কি সাইকেল বরাদ্দ আছে ।
৭জুন ২০১৮ইং তারিখে একটি স্মারকে উপজেলার নির্বাহী অফিসার ১০জুন ২০১৮ইং তারিখের মধ্যে ১৪টি বাইসাইকেল প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের বলেন, এখানে অপরাধ কোথায়? অফিসিয়াল সিস্টেম এভাবেই চলে। উপজেলার কোন অফিস এই সিস্টেমের বাহিরে না। যদি দেখাইতে পারেন হাতে চুরি পড়বো।

অপরাধ, বরিশাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *